১০ই জুলাই, ২০২৪ ইং | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
ইরানের রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঢাকায় প্রথমবারের মতো ডি-৮ যুব বিষষয়ক মন্ত্রী এবং সিনিয়র অফিসিয়াল পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত কোরবানির পশুর বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আহ্বান এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ডিউটি ফ্রি, কোটা ফ্রি সুবিধা অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া উপজেলা নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজান দেশের সার্বিক সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে সরকার তৃণমূল মানুষের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে —অর্থ প্রতিমন্ত্রী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার ও নির্যাতন সম্পর্কে নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে –মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অবৈধ কারেন্ট জালসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত অন্যান্য জাল ব্যবহার বন্ধ করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অভিবাসন সংক্রান্ত অপতথ্য রোধে বাংলাদেশ-ইতালি একসঙ্গে কাজ করবে — তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী সুন্দরবনে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ >> দেশজুড়ে
  • মোবাইল বিক্রি করে ওষুধ ও খাবার কিনলেন দিনমজুর শাহনাজ
  • মোবাইল বিক্রি করে ওষুধ ও খাবার কিনলেন দিনমজুর শাহনাজ

    মোবাইল বিক্রি করে ওষুধ ও খাবার কিনেছেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার শাহনাজ বেগম (৫৫)।

    শাহনাজ সদর উপজেলা পালং ইউনিয়নের আটিপাড়া গ্রামের আবদুল হাই খন্দকারের স্ত্রী। বৃদ্ধ স্বামী ও ৩ ছেলেসহ পাঁচজন নাতি-নাতনি নিয়ে তাদের সংসার হলেও দুই ছেলেই বাবা-মা থেকে আলাদা।

    বড় ছেলে শওকত লিভার ক্যানসার হয়ে চিকিৎসার অভাবে একটি মেয়ে রেখে মারা গেছেন। অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যত্র চলে গেছেন। মেঝ ছেলে লিয়াকত খন্দকার (৩৫) রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা ছোট ছেলে হযরত আলীর (২৮) পা ভেঙ্গে দেয়ায় ইট ভেঙে কোনোরকম সংসার চালান। শনিবার বিকাল পর্যন্ত তাদের কাছে সরকারি কোনো সাহায্য পৌঁছেনি।

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন

    শুধু শাহনাজই নন; একই অবস্থা বিরাজ করছে শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলায়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে সারা দেশের সঙ্গে শরীয়তপুরে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাজ না পেয়ে দিনমজুর ও শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছে।

    সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঘরে ফেরা কর্মসূচি মাধ্যমে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অথচ পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ প্রশাসনের লোকজন এ অসহায় পরিবারের জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি।

    কথা হয় নড়িয়া উপজেলা আনাখণ্ড গ্রামের রিকশাচালক ইদ্রিস শেখ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে গত ৪ দিন কাজ করতে পারছি না। তাই খুব কষ্টে আছি। কোনো সাহায্য-সহযোগিতা এখনও পাইনি।

    নিরালা আবাসিক এলাকার রিকশাচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, রিকশা চালিয়ে ভালোভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলছিলাম। গত ৪ দিন বন্ধ থাকায় কোনো কাজ করতে পারছি না। রাস্তায় কোনো যাত্রী নেই। তাই অনেক কষ্টে আছি। ২ দিন পর কিভাবে বাঁচব আল্লাহ জানেন।

    এ ব্যাপারে পালং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মকফর উদ্দিন বলেন, শাহনাজ বেগমের স্বামী আ. হাই খন্দকারের নামে বয়স্ক ভাতা দেয়া আছে। করোনা উপলক্ষে আমি মাত্র ৩টি কার্ড পেয়েছি। এ কার্ড অন্য গরীবকে দিয়েছি।

    শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মাহবুব রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শনিবার সকাল থেকে অসহায় হতদরিদ্র নিম্ন আয়ের ৭০০ পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি মশুর ডাল, ১টি করে সাবান সহায়তা দেয়া হয়েছে। তালিকাগুলো চেয়ারম্যান ও মেম্বার দিয়ে করিয়েছি।

    আটিপাড়া গ্রামের শাহনাজ বেগম পেয়েছে কি না জানি না। সেটা ওই এলাকার মেম্বার বলতে পারবেন।

    আরও পড়ুন

    ডিবি অফিসে ডাকা হল মিল্টন সমাদ্দারের স্ত্রীকে
    আবার ও খুললো সব শক্ষিাপ্রতষ্ঠিান
    ভাসানচরে হচ্ছে পাঁচ তারকা হোটেল, আছে শপিংমল
    ফেনী জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে সোনাগাজীতে মহিলা সমাবেশ
    বাংলাদেশ এখন অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার মহাসড়কে: প্রধানমন্ত্রী
    ২০২২ সালেই উন্মুক্ত হতে পারে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
    ‘উইটসা এমিনেন্ট পার্সনস’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী
    শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী